বাক্‌ ১০৮ : পছন্দপুরাণ : অনুপম মুখোপাধ্যায়




পছন্দপুরাণ : ১টি বানানভুলভিত্তিক পুনরাধুনিক ক্‌-ক্‌-কবিতা

।।
মাঠে ফেটে যাচ্ছে পছন্দের আওয়াজ। ১টা আকাশ তার সূর্যকে
অন্যের পছন্দের জায়গায় রাখছে না। ফুলের বুক থেকে উঠে আসছে
ভোমরাকে শেয়ার করার শব্দ। সেই শব্দকে বিশ্বাস করতে করতে
বিশ্বাস করতে করতে অনুপম মুখোপাধ্যায়ের ক্‌-কবিতা লিখছে অনুমপ
মুপোখাধ্যায়। শাক উল্টে কাশ হয়ে যাচ্ছেআর রশৎকালীন জ্যোৎস্নার
চিন্তাভাবনাগুলো না-ধুয়ে ওর পোঁদ কাঁসা পিটিয়ে যাচ্ছে
।।
আমরা ঠিক কতজন অনুমপকে চাটছিঠিক কতজন নমুঅপ
প্রেম মারাতে চাইছে। হাপাড়ে চড়তে চাইছে। মুসদ্রে
গা ভেজাচ্ছে ওর গ্রাম শহরটার নাম লাটাঘঅথবা টাঘাল। অথবা লাঘাট।
এই সবই ১-১টা জায়গা পছন্দ করার ব্যাপার। আমি। মাইগ্রেন
পছন্দ করছি না। আমার বাড়ির পেছনে ১টা কল্পনার পাহাড় রাখা হচ্ছে
।।
অন্ধকারে আগুন তার ইচ্ছেমতো আকারগুলোয় চাপছেকখনও ডাঙার
কখনও সমুদ্রের ঘোটকবাসনা করলে হ্রেষা। কামনা করলে
ঘোড়ার মুখ থেকেও জোরে বৃংহনআলো শোনাচ্ছেঅন্ধকার
শুনছে। কিছু লোক হাঁটছে। লোক উল্টে কোল হয়ে যাচ্ছেকয়লা
জনজাতি শাড়িমাখা যোনিমণ্ডলইহলোক আর পরলোকের মধ্যে
পনুঅম মুখোপাধ্যায় মনুঅপ মুখার্জিকে পোড়াতে চাইছে
রাধাচূড়ার শুকনো পাতা জ্বেলে
।।
বাগান থেকে। বোলতা আসছে। বাড়ি থেকে গলগল জল ফেলার
আওয়াজ। ক্যানাফুল। রক্তমাখা ন্যাকড়ার বণিককিছু দিনের
জন্য। কয়েক দিনের বন্যচারদিকের রোদ শুষছে ভুল আকারের
গাছ। ঠিক উকারের কুজন। আকাস এর বেশি ফাঁকা হচ্ছে নাতোমার
প্যান্টিকে শুকিয়ে ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো করে আমরা রং বানাচ্ছি। আমাদের
বানান ভুল এই
।।
টা চাঁদ তার সূর্যকে পছন্দের জায়গায় পাচ্ছে না। দিনদুপরে জ্যোৎস্না
হওয়ার কথারাতদুপরে রোদ দোর হয়ে যাচ্ছে। পিসিএমের
পার্টি অফিস থেকে অন্ধকার সাপ্লাই দেওয়া হচ্ছে নৃতমূলের নির্চাবনী
কার্যালয়কে। পনুঅম শুধু নিজেকে ভোট দিচ্ছেনিজের ছাড়া কারও
প্রচার করছে না। তার পোলিং বুথ ঐ ইটভাটার পাশেপোশাকি
মান নাম চাইছে ১টা। জাহাজেরও নাম লাগছে ১টান্যাংটো না হয়ে
কি কেউ স্কিন স্পেশালিস্ট হচ্ছে
।।
বাসন মাজার শব্দ থেকে কলতলা। চিনে নেওয়া যাচ্ছে। ক্‌-ক্‌-কবিতার
শব্দ থেকে ক্‌-ক্‌-কবিতার বই চেনা যাচ্ছে না। ১টা হলুদ পাখি। পরম বিদুষী।
বাংলা ক্‌-কবিতার সে পালক রাখছে না। আমি তার মাংসল চিত্রচোর প্রেমিক।
ক্যামেরা তাক করছি পূরিষের দিকে। ছবি। ফ্রেম। আর জানালায়
ঝিকমিক করছে আধখাওয়া বাণিজ্যের ফালি। ঠ্যাং ধরে মুচড়ে দিচ্ছি
নীল পাখির। আমি। রচম রাহামি
।।
ওর হাতে তোমার থুক্‌ দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া চুল। আলো পড়লে
খয়েরি। অন্ধকারে কালো। নির্জনতার ছায়া ভেঙে
অন্ধ বালক আমার দোকানে। আমার রুটি ওর  পছন্দ হচ্ছে
না। ডালিমআমার নরম ওর পছন্দ হচ্ছে না। ডাঁসাহাত বুলিয়ে
ফেলে দিচ্ছে ছুঁড়ে। আমার মুখের চামড়া ওর ভালো লাগছে খুব। চুমু খাচ্ছে
ব্রণ বাঁচিয়ে। গালে। কী নাম দেব ওকে। কী নাম। কী নাম। অনুপম খোরশেদ। তুমি
মুচু মুচু গোছল কর নাই
।।


                                                                      (চিত্রঋণ : সাইলেন্স/ মহসিন মখমলবাফ)